মালয়েশিয়া সরকারের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায় ১৮ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত কিন্তু ফলপ্রসূ মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
মালয়েশিয়া সরকারকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই কৃতজ্ঞতা জানান। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি প্রকাশ করেছে।
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘আমার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আমি- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাঁর স্ত্রী ড. ওয়ান আজিজা বিনতি ওয়ান ইসমাইলকে তাঁদের অবিশ্বাস্য উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। মালয়েশিয়া সরকার এবং সে দেশের বন্ধুভাবাপন্ন জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব আমাদের গভীরভাবে অভিভূত করেছে।’
তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও বেগবান করেছে।
দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বার্তায় উল্লেখ করেন, তাঁর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়কাল থেকেই মালয়েশিয়ার সঙ্গে বহু দশক পুরোনো এই সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
সফরকালে তাঁকে মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত মূল্য দেয়। বিশেষ করে দুই দেশের মানুষের সঙ্গে মানুষের যে নিবিড় যোগাযোগ, তা সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বস্তরের এক অনন্য বন্ধন তৈরি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। এই সফরের ধারাবাহিকতায় আগামী দিনে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বহুমুখী অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান।
দেশবার্তা/একে