ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  শুক্রবার | ১৭ জুলাই ২০২৬ | ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ০:৩৮
চলমান বার্তা:
এত কাছে গিয়েও কেন হারল ইংল্যান্ড, জানালেন কেইন
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩১  (ভিজিটর : )

বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন থেকে মাত্র কয়েক মিনিট দূরে ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু লিড ধরে রাখার চেষ্টা করতে গিয়েই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে বলে মনে করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে ২-১ গোলে হারের পর নিজেদের ভুলের কথাই অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে ৮৪ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরায় আর্জেন্টিনা। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রসে লাউতারো মার্তিনেজের হেডে নিশ্চিত হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জয়।

ম্যাচ শেষে বিবিসিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় কেইন বলেন, ‘আমরা ম্যাচের বেশিরভাগ সময় ভালো খেলেছি। কিন্তু ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর আমরা একটু বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিলাম। এই পর্যায়ে শুধু লিড ধরে রাখার চেষ্টা যথেষ্ট নয়।’

দলের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে ইংলিশ অধিনায়ক বলেন, ‘খুব খারাপ লাগছে। এখানে পৌঁছাতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। খেলোয়াড়রা নিজেদের শেষ বিন্দু পর্যন্ত উজাড় করে দিয়েছে। পুরো দল, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদের জন্যই কষ্ট হচ্ছে।’

১৯৬৬ সালের পর আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। এবারও সেমিফাইনালে থেমে যাওয়ার হতাশা লুকাতে পারেননি কেইন। তিনি বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে আমাদের অনেক ভালো মুহূর্ত ছিল। আবারও আমরা সেমিফাইনালে উঠেছি। আমরা বারবার সাফল্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছাই, কিন্তু শেষ ধাপেই কোথাও একটা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। সেই জায়গাটাই খুঁজে বের করতে হবে।’

টুর্নামেন্টের কঠিন মানসিক ও শারীরিক চাপের কথাও উল্লেখ করেন ইংলিশ অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে শারীরিক ও মানসিক, দুই ধরনের পরীক্ষাই দিতে হয়। গত কয়েক সপ্তাহে আমরা নিজেদের সর্বস্ব দিয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে শেষ কাজটা আর করতে পারিনি।’

দেশবার্তা/এমআর
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।