বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল দুটি দেশ। প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল তুরস্ক। আর ব্রাজিলের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল হাইতি।
হাইতিকে বড় ব্যবধানে ব্রাজিল হারাবে, এটাই প্রত্যাশিত ছিল। প্রথম ১০ মিনিট প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার পর বল এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করে ব্রাজিল। ব্রাজিলের বিপক্ষে হাইতিকে দর্শকের মতো দেখা গেছে।
ব্রাজিল ফুটবল দক্ষতায় অনেক এগিয়ে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছে হাইতি। অকারণ রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করেনি তারা। ৬৩ মিনিটে কর্নার থেকে প্রায় গোলও করে ফেলেছিল হাইতি। তবে ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার বাঁচিয়ে দেন।
খেলার ২৩ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রতিহত করলে বক্সের সামনে বল পান ডিফেন্ডার হানেস ডেলক্রোইক্স। তিনিই প্রায় আত্মঘাতী গোল করে ফেলছিলেন! তার পায়ে লেগে গোলমুখী বল ম্যাথেউস কুনহার পায়ের ছোঁয়ায় সামান্য দিক পরিবর্তন করে গোলে ঢুকে যায়।
৩৬ মিনিটে ব্রাজিলের দ্বিতীয় গোলও করেন কুনহা। মাঝমাঠে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে দৌড়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ব্রাজিলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়াস।
তুরস্ককে হারাল প্যারাগুয়ে
প্যারাগুয়ের জয়ে গ্রুপ ‘ডি’ থেকে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেল আমেরিকা। গালারজা ৬৫ সেকেন্ডে তুরস্কের বিপক্ষে গোল করেন। এটাই এ বারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দ্রুততম গোল। মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে মরক্কোর সাইবারির রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের শেষে লাল কার্ড দেখেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল অ্যালমিরন। গোটা দ্বিতীয়ার্ধ ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় প্যারাগুয়েকে। তা-ও সমতা ফেরাতে পারেনি তুরস্ক। দুই ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়ায় বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় তুরস্কের।
দেশবার্তা/একে