ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  বুধবার | ১৫ জুলাই ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ২০:২৩
চলমান বার্তা:
পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনায় সরকার
ইউএনবি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১৮:১৮ আপডেট: ১৪.০৭.২০২৬ ১৮:৩৪  (ভিজিটর : )
ছবি: পিআইডি

ছবি: পিআইডি

বন্যায় ৫৪ জন নিহতের মধ্যে বেশিরভাগই পাহাড় ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছে। এজন্য পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে নিরাপদ সমতল এলাকায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর পিআইডি সম্মেলন কক্ষে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান ও সমন্বয় বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী বলেন, বন্যায় নিহত হয়েছে ৫৪ জন। তার মধ্যে বেশিরভাগই পাহাড় ধসের কারণে নিহত হয়েছে।

পাহাড় ধসে প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে নিরাপদ সমতল এলাকায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা সরকার বিবেচনা করছে। এতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ত্রাণ কার্য পরিচালনার জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আমরা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দিয়েছি। ৩ হাজার ২৫০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণভাণ্ডার থেকে প্রত্যেক জেলায় ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আমাদের তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে, শুকনো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে আমরা নিয়োজিত করেছি। আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট আমরা পাঠিয়েছি, তাদের উদ্ধার কাজ পরিচালনা করার জন্য।

তিনি বলেন, আজকে যে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য। যেসব রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মেরামত করবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যে সমস্ত সড়ক, তারা সেটা মেরামত করবে। যদি কাঁচা সড়ক থেকে থাকে, সেগুলোকে আমরা কাবিখা-কাবিটা দিয়ে মেরামত করাব।

খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে দুর্যোগকবলিত এলাকাগুলোতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার ঘটনায় সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে একাধিকবার বৈঠক করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কর্মকর্তাদ এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে। তার নির্দেশনায় আমি আগামীকাল থেকে ব্যাপকভাবে ওই এলাকাগুলো সফর করব। আজকে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি।

এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।