ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  বুধবার | ১৫ জুলাই ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ২০:২৩
চলমান বার্তা:
পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ৫৬ জনের মৃত্যু, আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজার মানুষ
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১৮:২৭ আপডেট: ১৪.০৭.২০২৬ ২০:১৫  (ভিজিটর : )
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। দুর্গত মানুষের জন্য ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলার ৫৭টি উপজেলা, ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ৩১ জন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া সেখানে ২৪ জন আহত এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে ছয়জন, রাঙামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজন মারা গেছেন।

বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চট্টগ্রামে ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে ৩ হাজার ১৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটির ৪০টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৫৮ জন, বান্দরবানের ৫৪টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৮৪ জন, মৌলভীবাজারের ১০টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৪৫ জন, খাগড়াছড়ির ৩টি কেন্দ্রে ৩৪ জন এবং কক্সবাজারের ৩টি কেন্দ্রে ১৯৩ জন অবস্থান করছেন। হবিগঞ্জে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও সেখানে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম মহানগরসহ ১৬টি উপজেলা এবং ১২২টি ইউনিয়ন বা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারের ১০টি উপজেলার ৭১টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা, রাঙামাটির ৯টি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা এবং বান্দরবানের ৭টি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা দুর্যোগের কবলে পড়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ জুলাই থেকে আজ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য মোট ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা ও ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজারে ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, রাঙামাটিতে ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে আলাদাভাবে ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারে ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন এবং হবিগঞ্জে ৫ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দেশের অন্য ৫৭টি জেলার জন্য জেলাপ্রতি ৫ লাখ টাকা এবং ১০০ মেট্রিক টন চালের সাধারণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।