ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার | ২৮ জুলাই ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৫:৩৬
চলমান বার্তা:
যৌন নিপীড়ন মামলা: ৫৬ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১৩:৪১ আপডেট: ১৫.০৭.২০২৬ ১৫:৩৪  (ভিজিটর : )

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়ের করা যৌন নিপীড়ন ও মানহানির মামলায় ক্ষতিপূরণের ৫৬ লাখ ডলারের বেশি অর্থ বুঝে পেয়েছেন লেখিকা ই জিন ক্যারল। আদালতের নির্দেশে একটি বিশেষ অ্যাকাউন্ট থেকে সোমবার (১৩ জুলাই) তাঁকে এই অর্থ দেওয়া হয়।

ক্যারলের প্রধান আইনজীবী রবার্টা কাপলান অর্থ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, তাঁরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছেন যে ক্যারল ক্ষতিপূরণের পুরো অর্থ হাতে পেয়েছেন। 

অর্থ হাতে পাওয়ার পর ৮২ বছর বয়সী সাবেক এই কলাম লেখক ও প্রখ্যাত লেখিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসাত্মকভাবে লিখেছেন, ‘দ্য ইগল হ্যাজ ল্যান্ডেড’ (বহুল প্রতীক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে)।

আইনি নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের আদালতের রায়ের পর থেকেই এই অর্থ একটি বিশেষ এসক্রো অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এই দেওয়ানি মামলার রায় বহাল রাখার নির্দেশ দেন। এরপরই ফেডারেল বিচারক লুইস এ কাপলান অর্থ অবমুক্ত করার চূড়ান্ত আদেশ দেন। ট্রাম্পের আইনজীবীরা অর্থ প্রদান স্থগিত করতে শেষ মুহূর্তে একটি জরুরি আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।

ক্যারলের আইনজীবীরা আদালতের নথিতে উল্লেখ করেছেন, প্রাপ্ত অর্থ ক্যারল তাঁর অবসরের জন্য নির্ধারিত তহবিলে জমা রাখার পরিকল্পনা করছেন। তবে ট্রাম্পের আইনি দল এই অর্থ প্রদান বাতিল বা প্রত্যাহারের দাবিতে ইতিমধ্যে আরেকটি নতুন আপিল আবেদন দায়ের করেছে। 

ট্রাম্পের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁদের আইনি লড়াই ও উচ্চ আদালতে আপিল প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে নিউইয়র্কের একটি বিলাসবহুল ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের পোশাক পরিবর্তনের কক্ষে ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই লেখিকাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদের সময় ক্যারল তাঁর একটি বইয়ে এই ঘটনা প্রকাশ করেন। 

তখন ট্রাম্প ঘটনাটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দাবি করেন, ক্যারল মিথ্যা বলছেন এবং তিনি তাঁর পছন্দের নারী নন। ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই ক্যারল মানহানির মামলা করেন।

নিউইয়র্কের পরিবর্তিত আইনের সুযোগ নিয়ে এই পুরনো অপরাধের বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ক্যারল। ওই আইনে দীর্ঘ সময় পর ভুক্তভোগীদের মামলা করার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অবশ্য মূল শুনানির সময় ট্রাম্প আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এই মামলার বাইরে ২০২৪ সালের আরেকটি পৃথক বিচারের রায়ে ক্যারলকে ৮ কোটি ৩০ লাখ (৮৩ মিলিয়ন) ডলারের অন্য একটি বড় অঙ্কের মানহানির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই রায়ের বিরুদ্ধেও ট্রাম্পের উচ্চ আদালতে আপিল আবেদন সচল রয়েছে।

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।