কর্মসূচি শেষে শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সরে গেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এরপর আজ বুধবার বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রব্বানী হোসেন সড়ক খুলে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ কে এম রিয়াজুল নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আগামীকাল যেহেতু পরীক্ষা আছে, তাই আজকের মতো আমরা কর্মসূচি শেষ করেছি। তবে আমাদের দাবি বহাল থাকবে।’
এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে সড়কটিতে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, প্রধানমন্ত্রী এখানে অফিস করেন। নিরাপত্তার স্বার্থেই সড়কটি বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ছাত্ররা নিজেরাই সড়ক ছেড়ে চলে গেলে ব্যারিকেড সরিয়ে যান চলাচল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।’
আন্দোলনে বহিরাগত কেউ প্রবেশ করেছিল কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে অন্য কেউ প্রবেশ করেছে কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’
এর আগে আজ বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে ছয় দফা দাবিতে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছয়জন প্রতিনিধি।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান রাখার প্রতিবাদে আজ ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানান।
দেশবার্তা/একে