ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার | ২৮ জুলাই ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৭:৫৬
চলমান বার্তা:
চুয়াডাঙ্গায় শিশু মরিয়ম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আবুল হোসেনের মৃত্যুদণ্ড
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১৪:৩২  (ভিজিটর : )

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের চাঞ্চল্যকর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম খাতুন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ জুলাই) চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রায় ঘোষণার পর কঠোর পুলিশ প্রহরায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল হোসেন ওরফে ফটিক (২৯) জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর (বড় মসজিদপাড়া) গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে গোয়ালপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক ইকবাল হোসেনের ১০ বছর বয়সী মেয়ে মরিয়ম খাতুনসহ কয়েকজন শিশু স্থানীয় হাড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় এক ব্যক্তি মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যান এবং অন্য শিশুদের অপেক্ষা করতে বলেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও মরিয়ম ফিরে না আসায় বিষয়টি তার মাকে জানায় অন্য শিশুরা। পরে ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে মরিয়মের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে জীবননগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম তদন্ত শেষে আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

মামলা চলাকালে আসামি আবুল হোসেন চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া তার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে মিল পাওয়া যায়। মামলার বিচার চলাকালে মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

গত বুধবার চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক সোমবার (২০ জুলাই) রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। চার্জশিট, সাক্ষীদের সাক্ষ্য, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত এ রায় দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট এম. এম. শাহজাহান মুকুল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ওহিদুজ্জামান মুকুল।

প্রতিনিধি/আরএইচ
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।