জন্মগত জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত দুই বছর বয়সী শিশু আনিফা আক্তার। তবে দারিদ্র্যের কারণে মেয়ের চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে পারছিল না অসহায় পরিবারটি। গণমাধ্যমে শিশুটিকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি শিশুটির চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সার্বিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক ও অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মোহাম্মদ আমানুল্লাহ আমানের পরিকল্পনায় একটি প্রতিনিধিদল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যায়।
সেখানে প্রতিনিধিদলটি শিশুটির চিকিৎসায় গঠিত বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে বৈঠক করে।
হাসপাতালের শিশু কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড আনিফার সার্বিক শারীরিক অবস্থা ও পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে। চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চীন থেকে আগত একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল দল বাংলাদেশে পৌঁছালে তাদের কাছে আনিফার কেসটি উপস্থাপন করা হবে। দেশি ও বিদেশি চিকিৎসকদের যৌথ পরামর্শে পরবর্তী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
হাসপাতালে উপস্থিত প্রতিনিধিদলের সদস্যরা আনিফার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
দেশবার্তা/একে