রহিম হাওলাদার সেতু স্বেচ্ছাসেবক দলের আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী পরিবারে বেড়ে ওঠা আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করার পর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিবিএ ফ্যাকাল্টিতে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হন।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি এসএম হলের জয়েন্ট সেক্রেটারি, এসএম হল শাখার সেক্রেটারি, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েও তিনি কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা বিতর্কে জড়াননি। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে দলের অভ্যন্তরে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এ সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় এবং দুইবার কারাবরণও করতে হয়।
পরবর্তীতে এসব বিষয় বিবেচনায় তাকে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করতে এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে দেখা যায় তাকে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা রয়েছে, খুব শিগগিরই স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। সেখানে শীর্ষ দুই পদের একটিতে আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতুর নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু বলেন, “দলকে সুসংগঠিত করতে এবং আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘ সময় রাজপথে থেকেছি। ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছি সবসময়। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে, তবে অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো।”
প্রতিনিধি/আরএইচ