নওগাঁ সদর উপজেলার বলিহার ইউনিয়নের চকরাশ বল্লব গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা সড়কে ইট সোলিং নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ায় প্রায় ৬০টি পরিবারের কয়েকশ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।
দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে বর্ষা মৌসুমে চলাচল ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, রোগী ও কৃষকদের নিত্যদিন নানা ভোগান্তির শিকার হতে হতো।
গ্রামটির প্রধান সড়কটি পিচঢালা হলেও শাখা সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তা দিয়ে গ্রামবাসীর পাশাপাশি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত যাতায়াত করে। বর্ষাকালে কাদা ও পানি জমে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত। ফলে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং জরুরি রোগী পরিবহনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হতো।
সম্প্রতি এলাকাবাসীর পক্ষে অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেনের প্রচেষ্টায় নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর উদ্যোগে প্রায় ৪০০ ফুট রাস্তার ইট সোলিং কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।
এ কাজে সার্বিকভাবে পাশে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, “এই রাস্তার কাজ হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। ইট ও বালু কেনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম। সবকিছুই মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”
রাস্তার উন্নয়নকাজে সহযোগিতা ও বরাদ্দ প্রদানের জন্য এলাকাবাসী সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়িত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও সন্তোষ বিরাজ করছে। রাস্তার উন্নয়নের ফলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই সহজ হয়নি, বরং এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও গ্রামে আরও উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হবে।
একই এলাকার সন্তান অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন জানান, “সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এমপির উদ্যোগে এবং আমার তত্ত্বাবধানে ৪০০ ফুটের এই ইট সোলিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আমি ইট, বালুসহ সকল উপকরণ মানসম্মতভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকার সন্তান হিসেবে আমি আশা করি, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর সদিচ্ছা ও উদ্যোগে আরও উন্নয়নমূলক কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। এর ফলে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও টেকসই হবে।”
প্রতিনিধি/আরএইচ