ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার | ৭ জুলাই ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২৩:৩৯
চলমান বার্তা:
বিশ্বকাপে মেসি-সালাহ দ্বৈরথ: মুখোমুখি লড়াইয়ে কে এগিয়ে?
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ আপডেট: ০৭.০৭.২০২৬ ১৫:৩৪  (ভিজিটর : )

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিসরের লড়াই শুধু দুই দলের জন্যই নয়, ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও মোহাম্মদ সালাহর জন্যও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। বিশ্বকাপের মঞ্চে এবারই প্রথম একে অপরের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছেন তাঁরা। তবে ক্লাব ফুটবলে তাঁদের দেখা হয়েছে এর আগেও। ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন পর্যন্ত দুইবার মুখোমুখি হয়েছেন মেসি ও সালাহ।

তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ হয় ২০১৫ সালে। তখন মেসি খেলতেন বার্সেলোনার হয়ে, আর সালাহ ছিলেন ইতালিয়ান ক্লাব রোমার সদস্য। গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। ম্যাচে দুজনের কেউই গোল করতে পারেননি। মৌসুম শেষে অবশ্য মেসি, নেইমার ও লুইস সুয়ারেজকে নিয়ে বার্সেলোনা শিরোপা জিতেছিল।

চার বছর পর, ২০১৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আবার মুখোমুখি হন এই দুই তারকা। প্রথম লেগে ক্যাম্প ন্যুতে বার্সেলোনা ৩-০ গোলে জয় পায়, যেখানে মেসি করেছিলেন জোড়া গোল। কিন্তু দ্বিতীয় লেগে ইতিহাস গড়ে লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে ৪-০ গোলের অবিশ্বাস্য জয়ে ফাইনালে উঠে যায় ইংলিশ ক্লাবটি। তবে সেই ম্যাচে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি সালাহ। পরে লিভারপুলই শিরোপা জিতে নেয়।

এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁদের প্রথম লড়াই। শেষ ষোলোয় ওঠার পথে দুজনই নিজ নিজ দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করেন মেসি। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোল না পেলেও দারুণ পারফরম্যান্স করেন সালাহ এবং টাইব্রেকারে নিজের শট সফলভাবে জালে জড়ান। সেই জয়েই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় মিসর।

এই ম্যাচটি হয়তো বিশ্বকাপে তাঁদের শেষ মুখোমুখি লড়াই হতে যাচ্ছে। ৩৯ বছর বয়সী মেসির ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। অথচ চলতি আসরে তিনি দুর্দান্ত ছন্দে আছেন, চার ম্যাচে করেছেন সাত গোল। অন্যদিকে সদ্য ৩৪ বছরে পা রাখা সালাহও পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সালাহ সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তিনি বলেন, ‘এটা হয়তো কিছু মহান খেলোয়াড়ের শেষ ম্যাচ হতে পারে, আমি জানি না। তবে আজকের অনুভূতি অসাধারণ। দেশের জার্সি গায়ে চাপানোর চেয়ে গর্বের কিছু নেই। সতীর্থদের হাসিমুখে দেখা এবং ইতিহাস গড়া—এটাই আমার জীবনের অন্যতম সেরা দিন।’

এখন দেখার বিষয়, বিশ্বকাপের প্রথম মেসি-সালাহ দ্বৈরথে শেষ হাসি কে হাসেন—বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, নাকি ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে বিভোর মিসর।

দেশবার্তা/এমআর/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
https://thedailydeshbarta.com/ad/1781938701_RightPanelSquare.jpg
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।