ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  শনিবার | ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ 
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793693_Self-1.jpg
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793710_Self-2.jpg

সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:৫৩
চলমান বার্তা:
সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান চায় ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭:২৮  (ভিজিটর : )

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখান করে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী অবসান চায় ইরান। 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তুরস্কে অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া ডিপ্লোমাসি ফোরামের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ।

তিনি বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতিতে ‘লেবানন থেকে লোহিত সাগর’ পর্যন্ত সমস্ত সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তিনি বিষয়টিকে ইরানের জন্য একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা হিসেবে বর্ণনা করেন।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতি গ্রহণ করছি না। সংঘাতের এই চক্র এখনই চিরতরে শেষ হওয়া উচিত’।

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে এই জলপথ সবসময় উন্মুক্ত ছিল। এটি ইরানের জলসীমার মধ্যে অবস্থিত হলেও দীর্ঘকাল ধরে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

অঞ্চলটিতে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তাদের কর্মকাণ্ড বিশ্ব বাণিজ্য এবং বৃহত্তর অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে’।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটেই ইরানের পক্ষ থেকে এই ধরণের বার্তা এলো। 

এদিকে, ইরানের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু তেহরানের পরমাণু কর্মসূচিসহ বেশ কিছু বিষয়ে এখনো বড় ধরনের মতভেদ রয়ে গেছে।

তিনি জানান, দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির অর্ধেকের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও দুই পক্ষের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই যুদ্ধের জেরে বিশ্বের জ্বলানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় ইরান। এর ফলে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ঘাটতি ও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়, যা দিনকে দিন তীব্রতর হচ্ছে।

টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারপর একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেন মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা, যা ১৯৭৯ সালের পর মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ এবং ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। তবে ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হয় এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন।  

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এই আলোচনা আবার পাকিস্তানেই হতে পারে। সূত্র: আলজাজিরা

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
নির্বাচিত সংবাদ
হাম ও হামের উপসর্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু
রুশ জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র
রুশ জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে এখন: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে এখন: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
স্বত্ব © ২০২৫ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793725_Self-3.jpg
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793740_Self-4.jpg