মানিকগঞ্জের পৃথক স্থান থেকে এক অটোরিকশাচালক ও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে অটোরিকশাচালককে হত্যার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১ জুলাই) সকালে সিংগাইর উপজেলার গোলাইডাঙ্গা এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে অটোরিকশাচালক সাকিবুলের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের নাথুরা গ্রামের টুলু মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
অন্যদিকে, ঘিওর উপজেলার কুস্তা এলাকায় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির রেলিংয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় চন্দন ভগতের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার মৃত বৈদ্যনাথ ভগতের ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংকের ঋণের চাপে চন্দন ভগত দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। মঙ্গলবার কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তিনি সারাদিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। পরে রাতের কোনো এক সময় তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন বলে পরিবারের ধারণা।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাই পৃথকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। সিংগাইরের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। আর ঘিওরের ঘটনায় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রতিনিধি/আরএইচ