মাঠের তীব্র গরম, ম্যাচ জেতার প্রবল চাপ কিংবা বয়স- সবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজেদের ফিট রাখছেন লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বা আর্লিং হালান্ডের মতো বিশ্বসেরা ফুটবলাররা। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজ নিজ দেশের হয়ে আলো ছড়ানো এই তারকাদের ফিটনেসের রহস্য লুকিয়ে আছে তাদের খাদ্যাভ্যাসে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, প্রতিদিনের ডায়েটের বাইরে ঠিক কী খেতে ভালোবাসেন এই মহাতারকারা।
লিওনেল মেসি
আর্জেন্টিনার এই ফুটবল জাদুকরের প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে ‘আসাদো’ (লাতিন আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী বার্বিকিউ)। এছাড়া লাতিন আমেরিকার জনপ্রিয় পদ ‘মিলানেসা’ (বিফ, চিকেন বা পর্ক এবং ডিম দিয়ে তৈরি বিশেষ খাবার) ও রোস্টেড চিকেন খেতে দারুণ পছন্দ করেন তিনি। তবে সুযোগ পেলে পিৎজা, চকোলেট এবং আইসক্রিম খেতেও ভালোবাসেন এলএমটেন।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
৪১ বছর বয়সেও অবিশ্বাস্য ফিটনেস ধরে রেখেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাঁর নিত্যদিনের খাবারের তালিকায় থাকে ডিম, অ্যাভোকাডো, মাছ ও চিকেন। তবে কড়া ডায়েটের মাঝে সিআরসেভেনের সবচেয়ে প্রিয় ‘চিট মিল’ হলো পর্তুগালের অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার ‘বাকালহাউ-আ-ব্রাস’ (লবণাক্ত কড মাছ, আলু ও ডিম দিয়ে তৈরি বিশেষ পদ)।
আর্লিং হালান্ড
নরওয়ের এই গোলমেশিনের প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে ডিম, সাওয়ারডো ব্রেড, মধু এবং বিভিন্ন রকমের স্টেক। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, নিজেকে চাঙ্গা রাখতে দিনে যে পরিমাণ খাবার খান হালান্ড, তা থেকে প্রায় ৬ হাজার ক্যালোরিরও বেশি শক্তি পান এই স্ট্রাইকার।
কিলিয়ান এমবাপ্পে
ফ্রান্সের এই তারকা স্ট্রাইকারকে ফিট রাখে মাছ, হোলগ্রেন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট দিয়ে তৈরি ছয়টি ব্যালান্সড মিল। তবে এমবাপ্পের সব চেয়ে প্রিয় খাবার হলো ‘কার্বোনারা’, যা মূলত এক ধরনের রোমান পাস্তা।
হ্যারি কেন
ইংল্যান্ডের এই তারকা স্ট্রাইকার নিজের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা তৈরি করেন পুষ্টিবিদ ও ব্যক্তিগত শেফের সঙ্গে পরিকল্পনা করে। তাঁর রোজকার মিল-এ মূলত থাকে ওটস, ডিম, স্যামন মাছ এবং লিন প্রোটিন।
জুড বেলিংহ্যাম
ইংল্যান্ডের এই তরুণ মিডফিল্ডারের রোজকার খাবারের তালিকায় থাকে গ্রিক ইয়োগার্ট, টার্কির মাংস এবং বিভিন্ন রকমের স্যালাড। তবে যেকোনো ম্যাচের আগে বেলিংহ্যামের সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো বেকড বিনস এবং ডিম।
দেশবার্তা/একে