বাংলাদেশ রেলওয়ে কিশোরগঞ্জ সেকশনের (অতিরিক্ত দায়িত্ব, নরসিংদী) ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) মো. জুলহাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেল ৪টায় ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ (কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী) এবং স্থানীয় গেটকিপারদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কিশোরগঞ্জ সেকশনের এক বহিষ্কৃত অস্থায়ী গেটকিপার মো. তৌফিকুর রহমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকৌশলী মো. জুলহাসের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের কাছ থেকে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করেছেন।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কখনো কোনো অবৈধ অর্থ বা মাসোহারা গ্রহণ করেননি এবং প্রকাশিত অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ সেকশনে দায়িত্বরত পিডব্লিউআই ও আইওডব্লিউসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
সমাবেশ থেকে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে মিথ্যা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
তারা হুঁশিয়ারি দেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে কিশোরগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত হেডমেট মো. উজ্জ্বল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন নরসিংদী সেকশনের টাইমকিপার মো. কামাল সরকার, মেইট বীরেন চন্দ্র দাস, ওয়েম্যান জুয়েল দাস, ম্যানস মো. শামীম মিয়া, কিশোরগঞ্জ সেকশনের মেইট মো. আজিম মিয়া, মো. মোস্তফা, আল আমিন ও ওয়েম্যান মোছা. মাছুমা আক্তারসহ অন্যরা।
এ সময় নরসিংদী, ভৈরব ও কিশোরগঞ্জ সেকশনের দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থায়ী-অস্থায়ী গেটকিপাররা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/একে