ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার | ২১ জুলাই ২০২৬ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ২০:১৩
চলমান বার্তা:
সিসিক প্রশাসক
সেপটিক ট্যাংকের লাইন ড্রেনে সংযুক্ত করা যাবে না
সিলেট অফিস
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১৯:০৫  (ভিজিটর : )

সিলেট মহানগরীর ড্রেন ও ছড়ায় অবৈধভাবে সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য ফেলার বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। 

আগামী তিন মাসের মধ্যে ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত সব সেপটিক ট্যাংকের লাইন বিচ্ছিন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছেন, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিসিকের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার সকালে সিলেট মহানগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সিসিক প্রশাসক এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক দেখতে পান, ওই এলাকার অনেক ভবন জাতীয় বিল্ডিং কোড অমান্য করে নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া একাধিক বাসাবাড়ির সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য সরাসরি ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।

নগরীতে অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে উল্লেখ করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সেপটিক ট্যাংকের লাইন কখনোই সরাসরি ড্রেন বা ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে না। এতে ড্রেন দ্রুত ভরাট হয়ে যায়, দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ি নির্মাণের সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জায়গা ছেড়ে দিতে হবে, যাতে পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত না হয়।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, সামান্য সচেতনতাই আমাদের প্রিয় নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তুলতে পারে। ছড়া ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। সবার সহযোগিতা ছাড়া সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

এ সময় আগামী তিন মাসের মধ্যে বাসাবাড়ির অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বিল্ডিং কোড অনুযায়ী স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের পরপরই বাদামবাগিচা এলাকায় সিসিকের উদ্যোগে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব। সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য পাইপের মাধ্যমে ড্রেন ও ছড়ায় ফেলার দায়ে কয়েকজনকে আর্থিক জরিমানা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ভবনমালিকদের সতর্ক করা হয়।

অভিযান শেষে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে অবৈধভাবে সংযুক্ত সেপটিক ট্যাংকের লাইন চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।