খুলনা নগরীকে হামের প্রভাবমুক্ত করতে সোমবার থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুরা এ সুযোগ পাবে। আগামী ২০ মে পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। ১৫ মার্চ থেকে দক্ষিণ জনপদে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও নগরীতে এ ধরনের রোগী সনাক্ত হয়নি।
কেসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় টিকা মজুদ করা হয়েছে। এ কর্মসূচি সফল করতে ১৯ এপ্রিল (রোববার) স্বাস্থ্য ভবনে বেলা ২টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্বিক পরিস্থিতি ও টিকাদান সম্পর্কে নগরবাসীকে অবহিত করবেন। এ অনুষ্ঠানে নাগরিক নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম জানিয়েছেন, ৩১টি ওয়ার্ডে টিকা দেওয়া হবে। সোমবার থেকে এক মাস প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। শুক্রবার ও শনিবার সেবা প্রদান বন্ধ থাকবে। কর্পোরেশনের কর্মচারী, সরকারি হাসপাতালের নার্স এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা টিকাদানে সহায়তা করবেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষা মঞ্চ, খুলনা শনিবার বেলা পৌনে ১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে ‘চাই হামমুক্ত খুলনা’ শীর্ষক মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করবে।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মুজিবুর রহমান জানান, এপ্রিলে ২০ দিনের কর্মসূচিতে যশোর সদর পৌর এলাকায় ৯১ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
সূত্রটি জানায়, বিভাগের ১০ জেলায় ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে ১,৬৮৩ জন সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১,৩৩৩ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। হাম সন্দেহে বিভাগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৬৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ