চুপ্পু আমাদের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ দেখতে বলতেসেন। হাসবো না কি কাঁদবো আমার বোধে আসছে না। সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সকল কার্যক্রমের দায়মুক্তির বলা আছে।
চুপ্পু সংবিধানের এই সেফগার্ড বলে লাফাচ্ছেন। কিন্তু তার মনে রাখা উচিৎ, তিনি ফ্যাসিষ্ট রেজিমে ফ্যাসিষ্ট হাসিনার মনোনিত রাষ্ট্রপতি। হাসিনা রেজিমের প্রথম পাঁচ বছর বাদ দিলে বাকি সময়টা অবৈধ। ছাত্রজনতা এই ফ্যাসিষ্ট রেজিমকে বিনাশ করেছো। হাসিনাসহ তার রেজিমের সবাই পালিয়েছে। সুতরাং হাসিনা অবৈধ হলে তার সময়ের সকল নিয়োগ অবৈধ। চুপ্পুও অবৈধ রাষ্ট্রপতি ছিল। ছাত্র জনতার ক্রমাগত চাপ ছিলো তাকে অপসারনের। কিন্তু বিএনপি স্ট্রাটেজিক কারনে তাকে পদে বহাল রেখে দিয়েছিলো তার অর্থ এই নয় যে বিএনপি ভালবেসে রেখেছিলো।
চুপ্পু সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ দম্ভ ভরে উচ্চারন করে যে ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে, ওকে কেউ বলে দিন, তাঁর অপরাধ কিন্তু সীমাহীন। সে লুটেরা এস আলমের সহযোগি শুধু নয়,হাসিনার সবশেষ দু বছরের সব অপকর্মের উস্কানিদাতাও।
সংবিধানের দোহাই দিয়ে লাভ নেই,সংবিধান জনমতের অভিপ্রায়ের উর্ধ্বে নয়। চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান সেটা আবারো দেখিয়ে দিয়েছে। সুতরাং মিষ্টার চুপ্পু সংবিধান কিম্বা আইন আপনাকে বাচাতে পারবেনা। জনগন জেগে উঠলে কিন্তু হাসিনা হিন্দুস্থানে পালায়,সংবিধান চুলোয় যায়। অতএব সাবধান জনগনের শক্তিকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে যাইয়েন না। আপনার যেকোনও এ্যারোগোন্সি আপনাকে ক্রমশ জেলমুখী করবে।।
মুজতবা খন্দকার : হেড অব নিউজ, সময় টেলিভিশন
এই কলামে লেখকের নিজস্ব ভাষারীতি বজায় রাখা হয়েছে: সম্পাদক