রাজধানীর মগবাজারে ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনার সাথে সাথে মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকুও হারান ৮০ বছর ঊর্ধ্ব প্রবীণ নাঈমুদ্দিন। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী সহায়তা পাচ্ছেন তিনি।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে প্রবীণ নাঈমুদ্দিনের কাছে গিয়ে থমকে যান দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বলেন, 'এই দোকান উচ্ছেদ হবে না’ শিরোনামে দৈনিক সময়ের আলোতে একটি মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। মূহুর্তেই সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন এবং ব্যক্তি ওই প্রবীণকে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিতে থাকে। শুধু ব্যক্তি, সংস্থা বা সংগঠনই নয়; প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রবীণ নাঈমুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুন জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবীণ নাঈমুদ্দিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। নাঈমুদ্দিনের পাশে আজীবন থাকার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী এবং বৃদ্ধকে স্থায়ী ঘর, চিকিৎসা এবং ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’কে।
মিথুন আরো জানান, প্রবীণ নাঈমুদ্দিনের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর মগবাজারেই তার বর্তমান অবস্থানের কাছাকাছি এসব সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে দৈনিক সময়ের আলোকে জানিয়েছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহমেদের এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নাড়িয়ে দেয় সবাইকে। চারপাশে ভাঙচুর চললেও, মানবিক দিক বিবেচনায় প্রবীণ নাঈমুদ্দিনের ছোট্ট জীবিকার দোকানটি উচ্ছেদ না করার নির্দেশ দেন তিনি।
দেশবার্তা/আরএইচ