ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার | ৭ এপ্রিল ২০২৬ | ২৪ চৈত্র ১৪৩২ 
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793693_Self-1.jpg
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793710_Self-2.jpg

সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:৫৭
চলমান বার্তা:
সন্ধ্যায় দোকান বন্ধে বিক্রি কমবে ৬০ শতাংশ, দাবি ব্যবসায়ীদের
দেশবার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১৪:০৪ আপডেট: ০৬.০৪.২০২৬ ১৪:৫১  (ভিজিটর : )
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নেওয়া সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে দোকান ও শপিং মল বন্ধের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, কেনাকাটার মূল সময় বা ‘পিক আওয়ার’ শুরু হয় সন্ধ্যায়। এই সময় দোকান বন্ধ রাখলে তাঁদের মোট বিক্রির প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, খুচরা ব্যবসায়ীরা দেশের মোট বিদ্যুতের মাত্র ৩ শতাংশের মতো ব্যবহার করেন। ফলে সামান্য এই বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গিয়ে অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে গরমের সময় দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে, সে তুলনায় সন্ধ্যায় বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে কেবল ব্যবসায়িক ক্ষতি নয়, সরকারি রাজস্ব বা ভ্যাট আদায় এবং কর্মসংস্থানের ওপরও আঘাত আসবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল এ প্রসঙ্গে বলেন, মানুষ দিনের বেলা কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাই তাঁরা সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে অভ্যস্ত। দোকান আগেভাগে বন্ধ হয়ে গেলে ক্রেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মতো যাঁরা পার্ট-টাইম কাজ করেন, তাঁদের চাকরির ওপর প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, ইরানকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথমে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে ৭টা নির্ধারণ করা হয়। 

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সামান্য সময়ে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হবে না।

ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্সের ডিস্ট্রিবিউশন প্রধান সৈকত আজাদ বলেন, ট্রাফিক জ্যাম ও গরম পেরিয়ে ক্রেতারা যখন মার্কেটে পৌঁছান, তখন দোকান বন্ধের সময় হয়ে যায়। এতে সরাসরি বিক্রিতে ধস নামবে, যা শেষ পর্যন্ত সরকারের ভ্যাট ও কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাকে ব্যাহত করবে।

বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মনজুর প্রস্তাব করেন, দোকান খোলার সময় দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে। এতে দিনের প্রখর রোদের সময় বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং সন্ধ্যার বেচাকেনাও সচল থাকবে। একই সঙ্গে এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রিতে রাখা এবং আলোকসজ্জা কমিয়ে ‘স্মার্ট’ উপায়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরামর্শ দেন তিনি।

খুচরা খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশের জিডিপিতে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ অবদান রাখা এই খাতটি যদি সংকটে পড়ে, তবে এর প্রভাব পুরো বাজার ব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়বে। বিশেষ করে সামনে ঈদুল আজহার কেনাকাটা নিয়ে এখন গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
নির্বাচিত সংবাদ
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর, দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জোর দেবে ঢাকা
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর, দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জোর দেবে ঢাকা
হামের টিকা সংকট, বিগত দুই সরকারকে দায়ী করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের টিকা সংকট, বিগত দুই সরকারকে দায়ী করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তনু হত্যার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
তনু হত্যার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
স্বত্ব © ২০২৫ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793725_Self-3.jpg
https://thedailydeshbarta.com/ad/1756793740_Self-4.jpg