বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে রোববার জেলা মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ, জেলা ইউনিট (পুরুষ ও মহিলা) এবং উপজেলা আমীর-সেক্রেটারি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জনশক্তি নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক ও মতবিনিময় সভা স্থানীয় জেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমীর জনাব মো. আব্দুল করিম (এমপি)-এর সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকারের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলার সাবেক আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জেলা নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ (এমপি), অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (এমপি), রাজনৈতিক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম (এমপি), জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও মো. ফয়সাল কবির রানা, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কার্যাভী, জেলা সেক্রেটারি মো. ফাহিম মন্ডলসহ জামায়াত ও শিবিরের জেলা নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সকল পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান-মালের কুরবানীর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে হবে। আর্থিক কুরবানির মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণেও অর্থ ব্যয় করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের যে সমর্থন সৃষ্টি হয়েছে, তা ধরে রাখতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সময়, শ্রম ও অর্থের কুরবানী বৃদ্ধি করতে হবে।
প্রাক্তন জনশক্তির উদ্দেশে তিনি বলেন, ছাত্রজীবনের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ-তিতিক্ষাকে বৃহত্তর আন্দোলনের মজবুতিতে কাজে লাগাতে হবে। রুকনিয়াতের সর্বোচ্চ মানে পৌঁছাতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন এবং ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। জ্ঞান ও আমলের দিক থেকে অগ্রগামী হতে হবে এবং কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশোধিত হয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
প্রতিনিধি/আরএইচ