“মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে দিনব্যাপী স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় সাতক্ষীরা নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস), এসইডিপি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকার আয়োজনে এবং জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবীর। প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন ও বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল হাশেম, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বাসুদেব বসু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি) রিপন বিশ্বাস, সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন, সাতক্ষীরা নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রিফাত ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শিমুল মণ্ডল এবং একই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রুমানা আক্তার প্রমুখ।
প্রদর্শনীতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রকল্প, প্রযুক্তিনির্ভর মডেল এবং সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা ধারণা উপস্থাপন করে। এসব প্রকল্পে পরিবেশ সংরক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সৃজনশীল সমাধান তুলে ধরা হয়।
উদ্বোধন শেষে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার প্রশংসা করেন।
শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বর্তমান প্রজন্মের বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগই স্মার্ট, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা, গবেষণামনস্কতা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠানটির সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মোট ১৮টি স্টল স্থান পায়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উপমা আহমেদ।
প্রতিনিধি/আরএইচ