মুসলিম বিশ্ব এখনো প্রতীক্ষায় আছে ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা ও রমজান শুরু নির্ধারণের জন্য। ঠিক একই দিনে আকাশে ঘটছে আরেকটি চমক — সূর্যগ্রহণ। তবে এটি বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে দৃশ্যমান হবে না। সুত্র: খালিজ টাইমস, এআই
দুবাই অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের খাদিজাহ আল হারিরি বলেন, সূর্যগ্রহণ রমজানের চাঁদ দেখা কার্যক্রমকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করবে না। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই গ্রহণ আনারিল (annular) — অর্থাৎ চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে দিচ্ছে না। এর ফলে সূর্যের চারপাশে দেখা যাবে সোনালি ‘আগুনের আংটি’।
গ্রহণের সময় চাঁদ দৃশ্যমান থাকবে না। তবে এটি ঘটছে সূর্যাস্তের আগে, বিকেল ৪টার দিকে। আর চাঁদ‑দেখার প্রচেষ্টা হবে সূর্যাস্তের পর। তাই সূর্যগ্রহণ চাঁদ দেখা কার্যক্রমে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না।
কিভাবে নির্ধারণ করা হয় রমজানের শুরু
ইসলামী মাসগুলো সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিন ধরে চলে। নতুন মাস শুরু হয় নতুন চাঁদ দেখা গেলে, নাহলে আগের মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে।
যদি ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায় → রমজান শুরু হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি
যদি দেখা না যায় → শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে এবং রমজান শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি
চাঁদ দেখা শর্তগুলো হলো:
চাঁদকে সূর্যাস্তের পর ১২–২০ মিনিটের জন্য আকাশে থাকতে হবে।
দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ সূর্যের আগে বা প্রায় একই সময়ই অস্ত করবে, তাই কুসুম দেখা সম্ভাবনা খুবই কম।
সম্ভাব্য রমজানের তারিখ
বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ অনেক দেশে রমজান শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি, কারণ ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা চাঁদ‑দেখার কমিটি বসার পরই জানানো হবে।
দেশবার্তা/একে/এসবি