ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখায় বুধবার (২২ জুলাই) গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়োজিত নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসাইন খান।
হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখার প্রধান ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল লতিফ।
গ্রাহকদের পক্ষে বক্তব্য দেন মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস ড. মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক মো. মামুন উর রশিদ, এফসিএম, আকিজ গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর গোলাম মুরশিদ বাপ্পি এবং আল-মুসলিম গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল হোসাইন অপু।
এ সময় ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, “ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক এর আমানতকারীরা। তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা নিরলসভাবে কাজ করছে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ইনশাআল্লাহ ইসলামী ব্যাংকও সগৌরবে টিকে থাকবে। এটি কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের ব্যাংক নয়; এটি হবে সর্বসাধারণের ব্যাংক।”
গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার মূলধন প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, অথচ গ্রাহকদের আমানতের পরিমাণ প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা। শেয়ারের পরিমাণ মোট আমানতের তুলনায় খুবই সামান্য।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যাংকের ৩০ থেকে ৩৫ বছরের অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার ওপর পূর্ণ আস্থা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের কাজ নীতিনির্ধারণ করা, আর ব্যাংক পরিচালনা করবেন পেশাদার কর্মকর্তারা।”
গ্রাহক ও আমানতকারীদের ব্যাংকের পাশে থাকার এবং আমানত বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ইসলামী ব্যাংকের আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। পেশাদারিত্বের সঙ্গে ব্যাংকটি তার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করে অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।”
প্রতিনিধি/আরএইচ