ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  শনিবার | ২৫ জুলাই ২০২৬ | ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০:৩৯
চলমান বার্তা:
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিতে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক পাচ্ছে বাংলাদেশ
দেশবার্তা প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১৭:১০ আপডেট: ২৪.০৭.২০২৬ ২০:৫৬  (ভিজিটর : )

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বৈশ্বিক প্রতিযোগীদের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে সরকার।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের ‘ট্রেড অ্যাক্ট, ১৯৭৪’-এর সেকশন ৩০১-এর আওতায় বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক আরোপের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়। মূলত জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ সংক্রান্ত তদন্ত শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

ওয়াশিংটন ডিসির সময় অনুযায়ী ২৪ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন শুল্কহার সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আগে সেকশন ১২২-এর আওতায় বহাল থাকা অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের বদলে এই নতুন কাঠামো চালু হলো।

নতুন নিয়মে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া পণ্যের ওপর প্রচলিত ‘মোস্ট ফেভার্ড নেশন’ (এমএফএন) শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে এই ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক যুক্ত হবে। তালিকাভুক্ত ৮৬টি দেশের মধ্যে যে ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে জায়গা পেয়েছে, বাংলাদেশ তার একটি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ—চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক গুনতে হবে। ফলে মার্কিন বাজারে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাড়বে।

পাশাপাশি বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য টানা তিন বছরের একটি 'ট্যারিফ-রেট কোটা' (টিআরকিউ) সুবিধা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে ইউএসটিআর। এটি বাস্তবায়ন হলে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা বা বস্ত্র উপাদান ব্যবহার করে বাংলাদেশে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে সেকশন ৩০১-এর এই অতিরিক্ত শুল্ক মওকুফ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা রপ্তানি বাড়াতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।

আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রপ্তানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সামনের দিনগুলোতেও একইভাবে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ।

দেশবার্তা/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।