ই-পেপার |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার | ২৮ জুলাই ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ 

সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ২১:১০
চলমান বার্তা:
চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৮:৪০  (ভিজিটর : )

চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল থেকে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নগরী ও জেলার কেন্দ্রগুলোতে ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। নারী-পুরুষ, তরুণ-যুবকসহ বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি ভোটাররা গণভোটেও অংশ নেন।

নগরীর পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে ভোটারদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি বিতর্কিত সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবারের ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

চট্টগ্রামে এবার মোট ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ৯৬৫টি। এর মধ্যে ৬৫৩টি কেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় এসব কেন্দ্রে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় মোতায়েন ছিল পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৪০ হাজার সদস্য। বুধবার রাতভর কেন্দ্রের আশপাশে টহল জোরদার করা হয়।

ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৬০৭টি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ১৬ থানার আওতায়। বাকি ১ হাজার ৩৫৮টি কেন্দ্র জেলা পুলিশের ১৭ থানার অধীনে। নগরীর ৬০৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১০টি এবং জেলা পুলিশের অধীন ৩৪৩টি কেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭, নারী ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭০ জন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৩১৭ জন।

১৬টি আসনের মধ্যে তিনটি পুরোপুরি মহানগরীতে, ১০টি জেলায় এবং বাকি তিনটি জেলা ও মহানগরীর অংশ নিয়ে গঠিত।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের তত্ত্বাবধানে তিনটি পৃথক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ১০টি আসনের ফল ঘোষণা করা হবে। বিভাগীয় কমিশনারের অধীনে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম থেকে পাঁচটি আসনের ফল প্রকাশ করা হবে। আর চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়াম থেকে চট্টগ্রাম-১১ আসনের ফল ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে গণভোটের ফলও জানানো হবে।

ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে চলছে ভোট গণনা। ফলাফল ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রার্থী ও সমর্থকেরা।

প্রতিনিধি/একে
মতামত লিখুন:
আরও পড়ুন 
Loading...
Loading...
দেশবার্তা    বিজ্ঞাপন    সার্কুলেশন    শর্তাবলি ও নীতিমালা    গোপনীয়তা নীতি    যোগাযোগ   
স্বত্ব © ২০২৬ দেশ বার্তা | সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী তোফায়েল আহমদ।