রাজধানীতে তখন ভরদুপুর। রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল আর নিরাপত্তার চিরাচরিত কড়াকড়িতে অভ্যস্ত নগরবাসী হয়তো ভেবেছিলেন, ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কনভয় সাঁই সাঁই করে বেরিয়ে যাবে রাজপথ ধরে। কিন্তু রোববার দুপুরের চিত্রটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। ওসামনী স্মৃতি মিলনায়তনের দরজা দিয়ে বের হয়ে তিনি সোজা হেঁটে পা বাড়ালেন সচিবালয়ের দিকে, নিরাপত্তার অচলায়তন ভেঙে মিলেমিশে গেলেন সাধারণ মানুষের ভালোবাসায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত থাকা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল তুলনামূলক শিথিল। ব্যারিকেডের পাশে দাঁড়ানো মানুষও খুব কাছ থেকে তারেক রহমানকে দেখার সুযোগ পান।
দুপুর ২টা ৬ মিনিটের দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে বের হয়ে জনতার কাতারে নেমে আসেন প্রধানমন্ত্রী। রাস্তায় নামতেই অনেকেই তাকে সালাম দেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রীও পথচারীদের সালামের উত্তর নেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও তা জনসাধারণের চলাচলে তেমন বাধা সৃষ্টি করেনি।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনব্যাপী ডেপুটি কমিশনারদের (ডিসি) সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বাৎসরিক এই সম্মেলনে মাঠ প্রশাসন পরিচালনার বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভাবনা নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে ডিসিরা বিভিন্ন প্রস্তাব দেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের সম্মেলনে আলোচনার জন্য ৪৯৮টি প্রস্তাব বাছাই করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবে সরকার।
দেশবার্তা/একে