গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ছাদেক আলী (৫৬) নামের এক ব্যক্তির গাছ জোরপূর্বক কেটে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় খায়রুল ইসলাম খুশি (৪০)-এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন।
সম্প্রতি উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের সদরপাড়া গ্রামে গাছ কাটার এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ছাদেক আলী ওই গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে এবং অভিযুক্ত খায়রুল ইসলাম খুশি একই গ্রামের মৃত খয়বর হোসেনের ছেলে।
গাইবান্ধা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলার এজাহারে বাদী ছাদেক আলী উল্লেখ করেন, সদরপাড়া মৌজার ৮৩২ দাগের ৩৮ শতকের মধ্যে দক্ষিণ পাশে সাড়ে ৩৫ শতক জমি তিনি প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্বত্ব ও দখলে ভোগ করে আসছেন। ওই জমিতে আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ২ মে সকালে স্থানীয় খায়রুল ইসলাম খুশি বহিরাগত লোকজন নিয়ে ওই জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালান এবং বেশ কয়েকটি গাছ কেটে ফেলেন। এ সময় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভুক্তভোগী ছাদেক আলী বলেন, “খায়রুল ইসলাম খুশি গং ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে আমার রোপণ করা বেশ কিছু গাছ কেটে ফেলেছে। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করার পর বিবাদীরা আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তবে অভিযুক্ত খায়রুল ইসলাম খুশি বলেন, “পৈতৃক সূত্রে ওই জমির মালিক আমি। তাই সেখানে ঘর নির্মাণের জন্য গাছ কেটেছি।”
সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ইয়াকুব আলী জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। একই সঙ্গে বাদী ছাদেক আলীর দায়ের করা মামলায় আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
প্রতিনিধি/আরএইচ