সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এবং ভুল প্রচারণার কারণে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারার স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি নিজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন না এবং তাঁর কোনো অ্যাকাউন্টও নেই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এবং পরিকল্পিতভাবে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের কারণে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক সুযোগকে নস্যাৎ করতে এবং দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং দেশের এই সংকটময় সময়ে চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বিএনপিকে একটি উদারপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়; জনগণের অধিকার ও কল্যাণে নিবেদিত একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারে অবিশ্বাসী একটি অশুভ শক্তির উত্থান ঘটেছে। এদের প্রতিহত করতে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শামসুজ্জামান দুদু বলেন, চারদিকে এখন নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। এই চক্রান্তের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ‘বটবাহিনী’। তবে এতে কোনো লাভ হবে না। জনগণ সব সময় তারেক রহমানের পাশে রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশবাসীকে গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এখনই সচেতন করতে না পারলে সামনে বড় ধরনের বিপদ দেখা দিতে পারে।
দেশবার্তা/একে