আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বাস কোম্পানিগুলোর কাউন্টার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব টিকিট মিলছে। নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে চাওয়া মানুষের সুবিধার্থে পরিবহন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট বিক্রির এই ঘোষণা দিয়েছে।
সকাল থেকেই কল্যাণপুর, গাবতলী ও শ্যামলীর মতো প্রধান বাস টার্মিনাল এলাকাগুলোতে টিকিটপ্রত্যাশীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শ্যামলী এন.আর. ট্রাভেলস আজ থেকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রংপুর ও দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন রুটের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। যাত্রীরা কল্যাণপুর ও আসাদগেটসহ তাদের নির্ধারিত পাঁচটি কাউন্টার ছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।
অন্যান্য বছরের মতো এবারও জনপ্রিয় পরিবহন সংস্থা হানিফ এন্টারপ্রাইজ ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বালুরমাঠ ও কল্যাণপুরসহ নির্ধারিত কাউন্টারগুলোতে একযোগে টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। একইভাবে সোহাগ পরিবহনও তাদের সকল রুটের আগাম টিকিট কাউন্টার ও ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করেছে।
টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে গ্রীন লাইন পরিবহন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ঈদের অগ্রিম টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা পরিবর্তন করা যাবে না। যাত্রীদের সুবিধার্থে অনলাইনে টিকিট কেনার সময় সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার এবং ভ্রমণের সময় টিকিটের প্রিন্ট কপি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে তারা।
অরিন ট্রাভেলস জানিয়েছে, কল্যাণপুর ও গাবতলী কাউন্টার থেকে রংপুর ও গাইবান্ধার টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। যানজট এড়াতে ২৪ মে থেকে তাদের বাসগুলো ধামরাই-কালামপুর হয়ে চলাচল করবে এবং বিশমাইল হবে শেষ বোর্ডিং পয়েন্ট। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, মোবাইল ফোনে কোনো বুকিং নেওয়া হবে না এবং ২১ মে থেকে বিআরটিএ নির্ধারিত নতুন ভাড়া কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। প্রতিটি কাউন্টারে বিআরটিএ অনুমোদিত ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনলাইন এবং কাউন্টার—উভয় ক্ষেত্রেই এই ভাড়ার নিয়ম কার্যকর থাকবে।
দেশবার্তা/একে