শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বহুদিন ধরে নিষ্ক্রিয়। এই প্রেক্ষাপটে নতুন কমিটি গঠনের জোর দাবি নেতাকর্মী সমর্থকদের। খুব শিগগিরই শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ছাত্রদলের কমিটি নতুন করে গঠন হবে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এবং ফ্যাসিবাদের আমলে রাজপথে সক্রিয়রা মূল্যায়িত হতে পারেন। নতুন কমিটিতে দায়িত্ব পাবেন, এই আলোচনায় আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্রদলের কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সামাদ (ঠাকুরগাঁ)। বর্তমানে তিনি পিএইচডি গবেষক। তিনি কেন্দ্রে সাধারণ সম্পাদক নাছিরের অনুসারী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ তম ব্যাচের কয়েকজন আলোচনায় আছেন যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাসেল পারভেজ (ঠাকুরগাঁ), জীব্রাইল শরীফ (বাগেরহাট) ও শেখ আহসান হাবীব (সাতক্ষীরা)।
শেখ আহসান হাবীব এবং জীব্রাইল শরীফ ফ্যাসিবাদের শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। যদিও কিছুদিন আগে একটি এনজিওর বিষয়ে শেখ আহসান হাবীব বিতর্কিত হন। দুজনই কেন্দ্রে সাধারণ সম্পাদক নাছিরের অনুসারী বলে জানা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ তম ব্যাচের প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় আছেন মোহাইমেনুল (মাগুরা)। তিনি আওয়ামী আমলে সরাসরি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। তার ভগ্নিপতি বিগত জুলাই আন্দোলনে শহীদ হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের ছাত্র শোয়াইব ইসলামও আছেন আলোচনায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী হিসাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুপরিচিত এবং পারিবারিক ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত। শোয়াইবের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার মত রেজাল্ট থাকলেও শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে তার সরব উপস্থিতি সর্বজন স্বীকৃত। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবের অনুসারী।
এছাড়াও ১৯ ব্যাচের সামিউল (ময়মনসিংহ) আলোচনায় আছেন, তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির অনুসারী। বিগত আমলে আন্দোলন সংগ্রামে সরব উপস্থিতি না থাকলেও আলোচনায় তার নাম আছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় আছেন মোরসালিন অনিক (বগুড়া)। এই মেধাবী ছাত্র পারিবারিক ভাবে বিএনপি রাজনৈতিক আদর্শের।
দেশবার্তা/আরএইচ