অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি আর অভিজ্ঞদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪১৩ রান। বড় সংগ্রহের পথে নাজমুলের শতকের পাশাপাশি মমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিমের কার্যকর ইনিংসগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ম্যাচের প্রথম দিনেই বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মমিনুল হক। তৃতীয় উইকেটে এই দুজনের ১৭০ রানের অনবদ্য জুটি পাকিস্তানকে বেশ চাপে ফেলে দেয়। নাজমুল ১০১ রানের এক দর্শনীয় ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরলেও আক্ষেপ থেকে গেছে মমিনুলকে নিয়ে। মাত্র ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হওয়া মমিনুল আউট হন ৯১ রান করে।
দ্বিতীয় দিনে সবার নজর ছিল জন্মদিন পালন করা মুশফিকুর রহিমের দিকে। ব্যাট হাতে দিনটিকে রাঙাতে ভুল করেননি তিনি। ১৭৯ বল মোকাবিলা করে ৭১ রানের একটি লড়াকু ইনিংস খেলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। মাঝপথে লিটন দাসের ৩৩ রানের ইনিংসটি আশা জাগালেও দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে এক পর্যায়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ।
তবে সেই চাপ সামলে দলকে চার শ’র গণ্ডি পার করান পেসার তাসকিন আহমেদ। শেষ দিকে তাঁর ১৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংসটি বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজি এনে দেয়। ইনিংসের ১১৫তম ওভারে পাকিস্তানি বোলার মোহাম্মদ আব্বাসকে সোজা ব্যাটে ছক্কা মেরে দলের স্কোর চার শ পার করেন তাসকিন।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। মূলত তাঁর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই বাংলাদেশের মিডল ও লোয়ার অর্ডার বড় ধসের মুখে পড়ে। একাই ৫ উইকেট শিকার করে স্বাগতিকদের লিড খুব বেশি বড় হতে দেননি তিনি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মুশফিকুর রহিমের উইকেটটি তুলে নিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন শাহীন শাহ আফ্রিদি।
দেশবার্তা/একে